স্পোর্টস ডেস্ক : নভেম্বরে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট সিরিজের জন্য জিম্বাবুয়ে দলের অফিসিয়াল টিম স্পন্সর হল ওয়ালটন ইউকে এবং ওয়ালটন আফ্রিকা। ওয়ালটন ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিংয়ের আফ্রিকা উইং এবং ওয়ালটন ইলেকট্রনিক্স এ্যান্ড অটোমোবাইলস লি. যুক্তরাজ্য যৌথভাবে ওই স্পন্সরশিপের উদ্যোগ নিয়েছে।
ওয়ালটনের আফ্রিকা অঞ্চলের প্রতিনিধি জনসন ওগবু জানান, জিম্বাবুয়েসহ আফ্রিকার বাজারে ওয়ালটন পণ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ওই অঞ্চলে খুব দ্রুত ব্র্যান্ডটিকে জনপ্রিয় করতে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত হলো ওয়ালটন। এ উদ্যোগে সমর্থন দেয়ার জন্য তিনি ওয়ালটন বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
ওয়ালটনের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং বিভাগের প্রধান রকিবুল ইসলাম জানান, আফ্রিকা একটি বিশাল বাজার। ওয়ালটন পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে সেখানে। এ কারণে প্রথমবারের মতো আফ্রিকার কোন দেশের ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। তিনি বলেন, এই মুহুর্তে দরকার বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করা। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশী পণ্যের সুনাম ছড়িয়ে দেয়ার এখনই সময়।
ওয়ালটনের ক্রিয়েটিভ এ্যান্ড পাবলিকেশন বিভাগের প্রধান উদয় হাকিম বলেন, ক্রিকেটে ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ দলের পাশে সব সময় থাকবে ওয়ালটন। এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওয়ালটন প্রতিনিধির মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, নেপাল, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বাজার সম্প্রসারণের জন্য ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে ওয়ালটনের।
উল্লেখ্য, আফ্রিকার দেশগুলোতে সরাসরি বাংলাদেশ ও ইউকে ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে পণ্য বাজারজাত করছে ওয়ালটন। ফলে ওয়ালটনের ওই দুই অঞ্চলের প্রতিনিধির উদ্যোগে জিম্বাবুয়ের টিম স্পন্সরশিপ নিল ওয়ালটন।
কোনমতে শীর্ষস্থান ধরে রাখল ম্যানসিটি
স্পোর্টস ডেস্ক : নিজেদের মাঠ ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে এতটা কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে স্বপ্নেও কল্পনা করেননি ম্যানচেস্টার সিটি কোচ ম্যানুয়েল পেলিগ্রিনি। অথচ প্রতিপক্ষ নরউইচ সিটি তুলনামুলকভাবে অনেক দুর্বল। কঠিন এক লড়াই শেষে কোনমতে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানসিটি। নরউইচকে হারিয়েছে তারা ২-১ গোলে।
খেলা শেষ হওয়ার এক মিনিট আগে ইয়াইয়া তোরে পেনাল্টিটি না পেলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হতো ম্যানসিটিকে। সে ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানও হাতছাড়ায় হয়ে যেতো। কারণ ১১ ম্যাচ শেষে ২৫ পয়েন্ট করে নিয়ে শীর্ষস্থান ভাগাভাগি করছে ম্যানসিটি আর আর্সেনাল। যদিও গোল ব্যবধানে বেশ এগিয়ে রয়েছে ম্যানসিটি।
নিজেদের মাঠে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে শুরু থেকে বেশ নি®প্রভ ম্যানসিটি। প্রথমার্থে তো প্রতিপক্ষের জালই খুঁজে পাননি সিটি স্ট্রাইকাররা। দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে ৬৭ মিনিটে প্রথম গোল পায় ম্যানসিটি। গোলদাতা আর্জেন্টাইন নিকোলাস ওতামেন্দি। ৮৩ মিনিটে এই গোলটিই শোধ করে দেয় নরউইচ সিটি। গোলদাতা ক্যামেরন জেরোমে।
১-১ গোলে ড্র দিয়েই শেষ হতে যাচ্ছিল ম্যাচটি। হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল ম্যানসিটি দর্শকরাও। হঠাৎ খেলার ৮৮ মিনিটে ডি বক্সের মধ্যে হাত দিয়ে বল ধরে ফেলেন রায়ান বেনেট। রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। এ নিয়ে প্রতিবাদের এক পর্যায়ে নরউইচ সিটির রাসেল মার্টিনকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিস্কার করেন রেফারি।
স্পট কিক নিতে আসেন ইয়াইয়া তোরে। তার ডান পায়ের শটটি জড়িয়ে যায় নরউইচের জালে। শেষ ২-৩ মিনিটের খেলা আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফলে আরও একবার পেনাল্টি পায় ম্যানসিটি। কিন্তু পেনাল্টিটা মিস করে ফেলেন আলেকজান্ডার কোলারভ। না হয় ব্যবধান আরও বাড়িয়ে মাঠ ছাড়তে পারতো ম্যানসিটি।
পালমাসকে সহজে হারাল রিয়াল
স্পোর্টস ডেস্ক : নিজেদের মাঠে খেলা। প্রতিপক্ষ অপেক্ষাকৃত দুর্বল। সুতরাং সহজ জয়ই প্রাপ্য ছিল রিয়াল মাদ্রিদের। সেই সহজ জয়টাই রোনালদোদের গোলে তুলে নিল লজ ব্লাঙ্কোজরা। লাস পালমাসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় নিজেদের অবস্থানও নিরঙ্কুশ করে নিল রাফায়েল বেনিতেজের শিষ্যরা।
সামনের দুই তিন সপ্তাহ বেশ গুরুত্বপূর্ণ রিয়ালের জন্য। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজি, লা লিগায় সেভিয়া এবং বার্সেলোনার বিপক্ষে খেলা। তার আগে দারুন একটি প্রস্তুতি সেরে নিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোরা। খেলা শুরুও ৪ মিনিটের মাথায়ই গোল করে রিয়ালকে স্বপ্নের সূচনা এনে দেন ইসকো।
এর ১০ মিনিট পর, অথ্যাৎ খেলার ১৪ মিনিটে দর্শনীয় এক ডাইভ দিয়ে হেড করে গোল করেন রোনালদো। খেলার ৩৮ মিনিটে পালমাসকে এক গোলের ব্যবধান কমিয়ে দেন হার্নান সান্তানা। একক প্রচেষ্টায় অসাধারণ গোলটি করেন তিনি।
এরপর খেলার প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার খানিক আগে, (৪৩ মিনিটে) গোল করেন গেসে রদ্রিগেজ। আবারও রিয়ালকে এনে দেন ২ গোলের লিড। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি রিয়াল। গোলও হজম করেনি। ফলে প্রথমার্ধেও ৩-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বেনিতেজের শিষ্যরা।
লাস পালমাসের বিপক্ষে ইনজুরি জর্জরিত রিয়ালের একাদশ গঠন করা নিয়েই বিপাকে পড়ে গিয়েছিলেন কোচ বেনিতেজ। গোলরক্ষক কেইলর নাভাস ছিলেন না ইনজুরির কারণে। তার সঙ্গে দলে রাখা যায়নি দানি কারভাজল, সার্জিও রামোস, আলভারো আরবেলোয়া, হামেস রদ্রিগেজ, গ্যারেথ বেল এবং করিম বেনজেমাকে। গুরুত্বপূর্ণ এসব ফুটবলারকে ছাড়াই একাদশ সাজাতে হয়েছে রিয়ালকে।
রিয়ালের ইনজুরির মিছিল দেখে লাস পালমাসও যারপরনাই খুশি হয়েছিল। কারণ, ইতিহাসে প্রথমবারেরমত বার্নাব্যুতে ম্যাচ জেতার সুযোগ তাদের সামনে; কিন্তু তাদের আশার গুড়ে বালি ঢেলে দিলেন রোনালদো, ইসকো এবং হেসে রদ্রিগেজ।
এই জয়ের ফলে স্প্যানিশ লা লিগায় ১০ ম্যাচ শেষে রিয়ালের পয়েন্ট ২৪। ৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বার্সেলোনা। ১০ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।
ভাগ্যিস ঘুম ভেঙেছিল কামরুলের!
ঘুম, গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন কামরুল ইসলাম। ঘড়ি কাঁটা ৯টা পেরিয়ে ১০টা, ১০টা পেরিয়ে ১১টা…। কোন স্বপ্নে বিভোর কামরুল?
অতঃপর ঘুম ভাঙল। কোনোমতে চোখ মেলে ঘড়িটা দেখতেই চমকে উঠলেন! সর্বনাশ! হাতে মাত্র এক ঘণ্টা। পড়িমরি করে ছুটলেন বরিশাল স্টেডিয়ামে। পেসার হান্ট কর্মসূচি চলছে সেখানে। বড় ভাই সাইফুল ইসলামের তাগাদায় নাম লিখিয়েছিলেন এ কর্মসূচিতে। আরেকটু হলেই ফসকে যাচ্ছিল সুযোগটা! কামরুল দাঁড়িয়ে গেলেন লাইনে। বরিশাল অঞ্চলে প্রথমও হলেন। আট বছর আগের গল্পটা শুনিয়ে কামরুলের মুখে লাজুক হাসি, ‘ভাগ্যিস ঘুমটা ভেঙেছিল!’
অবশ্য সেবারের পেসার হান্ট কর্মসূচিতে সারা দেশে প্রথম হয়েছিলেন রুবেল হোসেন। সেবার কামরুলের স্বপ্নযাত্রা সফল না হলেও জীবনের বড় বাঁক বদল ছিল ওটাই। এরপরই ক্রিকেটে সঁপে দিলেন নিজেকে। এ কর্মসূচির অন্যতম কারিগর সরওয়ার ইমরান পেসার হান্ট থেকে পাওয়া কয়েকজন বোলারকে নিয়ে এলেন জাতীয় দলের অনুশীলনে। সে দলে কামরুলও ছিলেন।
কামরুলকে নিয়ে ইমরানের মূল্যায়ন, ‘আট বছর আগে সে এক রকম ছিল। এখন আরেক রকম। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে তৈরি করেছে। রুবেল, শফিউল, রবিউলের পর পেসার হান্ট থেকে জাতীয় দলে এল রাব্বী (কামরুল)। নতুনের চেয়ে পুরোনো বলে বেশি ভালো করতে পারে। দারুণ সম্ভাবনা আছে তার।’
জাতীয় দলের অনুশীলনে ভালো বোলিংয়ের পর সুযোগ মিলল প্রিমিয়ার ডিভিশনের দল ওল্ড ডিওএইচএসে। এরপর অনূর্ধ্ব-১৯ দলে। খেললেন ২০১০ যুব বিশ্বকাপ। ৪ ম্যাচে নিলেন ৬ উইকেট। প্লেট ফাইনালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে করলেন হ্যাটট্রিক। জাতীয় লিগ, বিসিএল, বিসিবির হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) দল—নানা ধাপ পেরিয়ে স্বপ্নের দুয়ারে পা রাখলেন গত সেপ্টেম্বরে।
ভারত সফরে তাসকিন আহমদের চোটের কারণে আকস্মিকভাবে ডাক পেলেন ‘এ’ দলে। কর্ণাটকের বিপক্ষে তিন দিনের ম্যাচে ঠিক মেলে ধরতে না পারলেও গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নজর কাড়লেন নির্বাচকদের। তিনটি এক দিনের ম্যাচে নিলেন ৬ উইকেট। একটি তিন দিনের ম্যাচে ৩ উইকেট। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর—এ দুটি মাস জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় কামরুলের, ‘গত দুটি মাস ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আসলে ভারত সফরে প্রধান নির্বাচক ফারুক ভাই (ফারুক আহমেদ) এবং দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে আরেক নির্বাচক সুমন ভাই (হাবিবুল বাশার) কাছ থেকে আমার বোলিং দেখায় ভালো হয়েছে।’
পৈতৃক ভিটা পটুয়াখালীতে, কিন্তু বরিশাল শহরের দক্ষিণ আলেকান্দায় বেড়ে ওঠা এই ২৩ বছর বয়সী পেসারের আদর্শ ওয়াসিম আকরাম ও মাশরাফি বিন মুর্তজা। মানুষ এবং খেলোয়াড় হিসেবে মাশরাফিকে অনুসরণ করেন সব সময়। নিজে ডানহাতি পেসার হওয়ার পরও বাঁহাতি ওয়াসিম কেন আদর্শ? ‘তাঁর সুইং ও ইয়র্কার দেখে অনেক কিছু শিখেছি’—কামরুলের উত্তর।
১৪ জনের দলে ডাক পেলেন। এখন লক্ষ্য একটাই, একাদশে সুযোগ করে নেওয়া। আরও একটি স্বপ্ন রয়েছে কামরুলের। তবে সেটা বলতে চান না এখনই, ‘স্বপ্নটা মনেই থাকুক। কোনো একদিন বলব…।’
তাসকিনের আরেকটু অপেক্ষা
কাফ মাসলের চোট সারেনি। রুবেল হোসেনের দলের বাইরে থাকাটা অনুমিতই ছিল। ‘এ’ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভালো বল করে আসা আল আমিন হোসেনের ফেরা ও কামরুল ইসলাম রাব্বীর জাতীয় দলে নতুন মুখ হয়ে আসাটাও তা-ই। তবে আরেক পেসার তাসকিন আহমেদের বাদ পড়াটা একটু বিস্ময়ই হয়ে এল সবার কাছে।
গত জুনে ভারতের বিপক্ষে সিরিজেই চোটে পড়েছিলেন, যে কারণে পরের মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ সিরিজেও ছিলেন না। সুস্থ হয়ে ‘এ’ দলের সঙ্গে ভারত সফরে গিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়লে তো! প্রথম ম্যাচেই আবারও শরীরের এক পাশের পেশিতে টান পড়ায় সিরিজ অসমাপ্ত রেখে ফিরে আসেন দেশে। পুনর্বাসন-প্রক্রিয়া শেষে ফিটনেস ট্রেনিং এবং গত কিছুদিনের বোলিং অনুশীলন আশা জাগাচ্ছিল, জিম্বাবুয়ে সিরিজ দিয়ে আবারও মাঠে ফিরবেন এই তরুণ পেসার। কিন্তু বিধি বাম!
তাসকিন নিজে অবশ্য এতে খুব একটা অবাক হননি, ‘বোলিংয়ে এখনো পুরোপুরি ছন্দ ফিরে পাইনি। হয়তো এ কারণেই আমাকে বাইরে রাখা হয়েছে। আমিও মনে করি, পুরো ফিট হয়ে খেলাটাই ভালো।’ তবে প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে তাসকিনের খেলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না, ‘আমরা এখনই তার খেলার সম্ভাবনা পুরোপুরি বাদ দিয়ে দিতে চাচ্ছি না। এই দলটা শুধু প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য। সিরিজের পরের ম্যাচগুলোতে, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে তাসকিনের খেলার সম্ভাবনা আছে।’
তাসকিন না থাকলেও পেস আক্রমণে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা সঙ্গে পাচ্ছেন মুস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন আর নতুন মুখ রাব্বীকে। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায় নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে দেশে ফিরে আসা আল আমিনের সামনে সুযোগ এসেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবারও নিজেকে প্রমাণ করার। সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন গত বছর, এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই। তাঁকে দলে ফেরানোর কারণ হিসেবে ফারুক বললেন, ‘ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকায় “এ” দলের হয়ে খুব ভালো করেছে আল আমিন। রুবেল চোটে পড়ায় তার জায়গায় আমাদের ভালো একজন পেসার দরকার ছিল। আল আমিনই এ মুহূর্তে সেরা পছন্দ।’
প্রত্যাবর্তন সিরিজে প্রধান নির্বাচকের কথা নিশ্চিতভাবেই বড় প্রেরণা হবে আল আমিনের জন্য। আল আমিন অবশ্য রোমাঞ্চিত তার আগে থেকেই। উত্তরায় চাচার বাসায় কাল দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় টেলিভিশনের খবরে প্রথম জানতে পারেন দলে ডাক পাওয়ার খবরটা। পরে প্রতিক্রিয়ায় বললেন, ‘আশা ছিল হয়তো দলে ফিরব। কারণ বিসিএল, জাতীয় লিগ এবং “এ” দলের সফরেও আমি ভালো বল করেছি। জিম্বাবুয়ে সিরিজে সে রকম বোলিং করতে পারলেই আশা করি সাফল্য পাব।’
জিম্বাবুয়ে দল ঢাকায় আসছে আজ। এক দিন বিরতির পর বাংলাদেশ দলের অনুশীলনও আজ আরও জোরেশোরে শুরু হওয়ার কথা। সব ঠিক থাকলে আজ পুরো রানআপে বল করবেন ডেঙ্গুর ধকল বয়ে বেড়ানো মাশরাফি। যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর সঙ্গে কয়েক সপ্তাহ কাটিয়ে পরশু রাতে দেশে ফেরা সাকিব আল হাসানও আজ যোগ দেবেন দলের সঙ্গে। কাল বিকেলেই অবশ্য সাকিব ঘণ্টা খানেক অনুশীলন করে গেছেন মিরপুরে।
প্রথম দুই ওয়ানডের বাংলাদেশ দল: মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, আরাফাত সানি, জুবায়ের হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন ও কামরুল ইসলাম রাব্বী।
